মাথার সামনে চুল গজানোর উপায়
আজকের এই পোস্টটি থেকে জানতে পারব মাথার সামনের চুল গজানোর জন্য ঘরোয়া উপায় গুলো কি কি, না। আজকাল অনেককেই দেখা যায় প্রায় এই সমস্যাতে ভুগে থাকেন আজ আমরা জানতে পারবো ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপায় কিভাবে অনেক সহজেই আপনি আপনার মাথার সামনের চুল গজাতে পারেন।
মাথার সামনের চুল গজানোর জন্য আপনাকে বিভিন্ন ঘরোয়া উপায় রয়েছে যেগুলো প্রয়োগ করতে হবে এর মধ্যে একটি হচ্ছে মেথি এছাড়াও রয়েছে পেঁয়াজের রস এবং এলোভেরা যা দিয়ে খুব সহজেই আপনি আপনার মাথার চুল গজাতে পারেন। এছাড়াও দেখা যায় ভিটামিন ও খনিজ সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার মাধ্যমে এবং সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করার মাধ্যমে এছাড়াও রোজমেরি তেলের মত প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করার মাধ্যমে এটি কার্যকর হতে পারে। অবশ্য প্রয়োজনে আপনি একজন বিশেষজ্ঞ পরামর্শ অনুযায়ী চুল প্রতিস্থাপনের মতো চিকিৎসার পদ্ধতি ও সাহায্য নিতে পারেন।
আরো পড়ুন : পেটের চর্বি কমানোর ৯টি সহজ উপায়
পেজ সূচিপত্র :
- আমাদের চুল কেন পরে
- কিভাবে চুল পড়া বন্ধ করা যায়
- ঘরোয়া উপায়ে যেভাবে চুল গজানো সম্ভব
- চুল গজানোর ভিটামিন কি
- মন্তব্য
আমাদের চুল কেন পরে
আমাদেরকে প্রথমে জানতে হবে আমাদের চুল কেন পরে চুল পড়ার অন্যতম কারণগুলোর মধ্যে প্রধান কারণ হচ্ছে হেয়ার স্টাইল করা। ছেলেদের ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকেই আছে চুলে জেল দেয় । তবে প্রতিটা জেলই এক না। দেখা যায় যেই জেলে প্যারাবিন থাকে সেই জেল ব্যবহার করলে ধীরে ধীরে চুল পাতলা হয়ে যায় এবং একসময় চুল উঠতে শুরু করে তাই জেল কেনার সময় একটু খেয়াল রাখা প্রয়োজন। এছাড়াও চুলে বেশি বেশি আয়রন কারলিং পার্লিং করলে চুল উঠে যায়। এছাড়াও চুল পড়ার আরো অনেক কারণ রয়েছে। বাজে পানির কারণে ও অনেক সময় চুল পড়ে থাকে। যেসব পানিতে ক্লোরিন থাকে এবং পানির তুলনায় ক্লোরিনের পরিমাণ বেশি হলে চুল পড়ে থাকে। আসলে বেশিরভাগ সময় দেখা যায় বাসার ট্যাংকিতে হয়তো প্রচুর পরিমাণ ক্লোরিন জমা হয়ে আছে নয়তো পানিতে প্রচুর পাউডার এর ব্যবহার করে থাকে যার কারণে এই প্রবলেম তৈরি হয়। আবার অনেক সময় দেখা যায় যে অনেকের স্কিন ডিজিজের কারণে চুল পড়তে পারে। অনেকের স্যাবরিক একজিমা রোগ রয়েছে এই রোগের কারণে অনেকের চুল পড়ে যেতে পারে। অনেকেই এক সময় মনে করত অ্যান্টিজেনিকের কারণে মেয়েদের চুল পড়ে না। কিন্তু বর্তমানে প্রায় ৫০% মেয়েদেরই চুল পড়ে। গ্রাম অঞ্চলের মেয়েদের দেখা যায় পুষ্টির অভাবে ভোগে আজ শহরের মেয়েরা ডায়েট কন্ট্রোল করতে গিয়ে পুষ্টির কথাই ভুলে যায় এবং ফাস্টফুডের মত খাবারে অভ্যস্ত হয়ে যায় আর এগুলোতে রয়েছে প্রচুর ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেট যার ফলে চুল ও শরীর দুটোই ক্ষতি করে।
কিভাবে চুল পড়া বন্ধ করা যায়
শরীরের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ যেমন পরিচর্যা করা দরকার ঠিক তেমনিভাবে চুলো আমাদের এমন একটি অংশ যার যত্ন নেওয়া আমাদের অত্যন্ত জরুরী কারণ চুল একজন মানুষের সৌন্দর্যকে বাড়িয়ে তোলে। আজ আমরা জানব কিভাবে আপনি যত্ন করার মাধ্যমে আপনার চুল পড়াকে বন্ধ করতে পারেন এবং চুলের সৌন্দর্যকে আরো বাড়িয়ে তুলতে পারেন এর জন্য আপনাকে ব্যবহার করতে হবে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এর ভিটামিন গুলো যা আমাদের প্রচন্ড দরকার এছাড়াও ভিটামিন সি ও ভিটামিন ডি দরকার আমাদের যা আমাদের চুল পড়াকে বন্ধ করতে পারে। অনেকেই ধারণা করে থাকেন ভিটামিন এ চুলের জন্য দরকার কিন্তু চুলে ভিটামিন ই এর পরিমাণ খুবই কম একটা সময় ছিল যখন মানুষ খুব কম খেত কিন্তু এখন খায় বেশি কিন্তু তাতে প্রোটিন নাই বললেই চলে তাই আমাদের চুল পড়া বন্ধ করতে প্রথমে ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার খাওয়া বন্ধ করতে হবে। এবং বেশি বেশি প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। আমরা সচরাচর দেখে থাকি বাচ্চার জন্মের চার মাস পর থেকে মায়ের মাথা চুল পড়তে থাকে এক্ষেত্রে ভয়ের কিছু নেই প্রেগনেন্সির সময় হরমোনাল চেঞ্জ এর কারণে চুল পড়তে পারে। একটা সময় দেখা যেত ছেলে এবং মেয়েরা উভয়ে সরিষা এবং নারিকেলের তেলের মাধ্যমে চুলের পরিচর্যা করত এবং সেটা প্রাকৃতিক ভাবেই উপকারই ছিল কিন্তু বর্তমান সময়ে আধুনিকতার সাথে তাল মিলাতে গিয়ে এই তেলের ব্যবহারটা বন্ধ হয়ে গেছে বর্তমানকালের ছেলে মেয়েরা তেল ব্যবহার করে না বললেই চলে এতে একটি ক্ষতির কারণ হিসেবে দেখা যেতে পারে। কারণ তেল চুলের পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। তেল চুলে প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে। তেল চুলকে এমন ভাবে প্রতিরোধ করে যেমনটা ঠিক রং দেওয়াল কে করে। যে ভাবে রং দেয়ালকে সুন্দর করে ঠিক একইভাবে তেল চুলকে সুন্দর করে এবং চুলের পুষ্টিকে পরিপূর্ণ করে। এখনো গ্রামাঞ্চলের অনেক মানুষকেই দেখা যায় তারা নিয়মিত চুলে তেল ব্যবহার করে যার ফলে তাদের মাথার চুল এখনো ঘন এবং কালো। এবং গ্রাম অঞ্চলে জেল বা ক্রিমের প্রচলন একদমই কম যার ফলে তারা তেলে অভ্যস্ত আর এই তেল ব্যবহার করার কারণেই তাদের মাথার চুল এত ঘন এবং কালো। আর শহর অঞ্চলের মানুষকে দেখা যায় বেশিরভাগ সময় তারা তেলকে পরিহার করে জেলকে সমর্থন করে এবং বেশিরভাগ জেল এবং ক্রিমে রয়েছে প্যারাবিন যা চুলের জন্য অনেক ক্ষতিকর তাই যেসব জেল বা ক্রিমে প্যারাবিন থাকে এইসব জেল বা ক্রিম পরিহার করুন এবং জেল বা ক্রিম কিনার আগে ভালোভাবে যাচাই-বাছাই করুন। দেখবেন চুল পড়া বন্ধ হবে এবং চুল ঘন হবে।
ঘরোয়া উপায়ে যেভাবে চুল গজানো সম্ভব
অনেকেরই এক বড় সমস্যা হল মাথার চুল পড়ে যায়। আজ আপনাকে জানাবো কিভাবে ঘরোয়া উপায়ে আপনি এই চুল পড়া কে রোড করতে পারেন। অনেকেই চাকরি যাচ্ছে যার কারণে নানারকম চিন্তাতে পড়ে যান । আপনাকে জানাবো খুব সহজেই ঘরোয়া উপায়ে আপনি আপনার এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারেন। এটা এমন একটি সমস্যা যেটা শুধু পুরুষের মধ্যেই নাই নারীর মধ্যেও রয়েছে। চিকিৎসকরা বলে ফ্রন্টাল হেয়ার লস বা রেসিডিং হেয়ারলাইন। তবে আপনি যদি নিয়মিত চুলের যত্ন নেন তাহলে আপনার চুল নতুন করে গজানো সম্ভব এর জন্য আপনাকে ঘরোয়া কিছু উপায় এর অভ্যাস করতে হবে এবং সেটাকে মেনে চলতে হবে তাহলে অবশ্যই আপনি একটি ভালো ফলাফল পাবেন।
- পেঁয়াজের রস : আপনি জেনে অবাক হবেন, পেঁয়াজের থাকে সালফার, যা চুলের ফলিকল কে উদ্দীপ্ত করে এবং চুল চুলকে শক্তিশালী করে। মাথার যে অংশ থেকে চুল পড়ছে সেই অংশে আপনি পেঁয়াজের রস মেখে ৩০ মিনিট বসে থাকুন এরপর শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন সপ্তাহে এটি আপনি অন্তত তিনবার করতে থাকুন ধীরে ধীরে আশা করা যায় চুল গজাতে শুরু করবে।
- নারিকেলের তেল ও কাস্টর অয়েল মিশিয়ে মেসেজ :নারিকেলের তেল ও চুলের গোড়া শক্ত করতে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করতে পারেন এতে আপনার চুল গজাতে সাহায্য করবে এক থেকে এক অনুপাতে দুটি তেল মিশে গরম করে মাথার চুল পড়ে যাওয়ার অংশে মেসেজ করুন এবং রাতভর রেখে সকালে উঠে ধুয়ে ফেলুন। নারিকেলের তেল ও ক্যাস্টর অয়েল অত্যন্ত উপকারী চুল গজানোর জন্য এবং চুলের গোড়াকে শক্ত করার জন্য। তাই আপনি এ দুটিকে একসাথে মিশিয়ে চুল পড়ে যাওয়ার অংশ সেই ব্যবহার করতে পারেন।
- মেথি বাটা:মেথি চুল পড়া বন্ধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। মেথির গুঁড়ো ভিজিয়ে বাটা পেস্ট বানিয়ে মাথার যে অংশে চুল পড়ে সে অংশে লাগিয়ে রাখুন ৪৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
- এলোভেরা জেল : প্রাকৃতিক আন্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান হিসেবে এলোভেরা স্ক্যাল্প ঠান্ডা রাখে এবং চুল গজাতে সাহায্য করে। এটি ঘনঘন ব্যবহার করলে মাথার চুল গজাতে জাতে শুরু করতে পারে।
- দুশ্চিন্তা থেকে বিরত থাকুন: অনেকেই রয়েছে অতিরিক্ত চিন্তা করেন যে কোন বিষয়ে অতিরিক্ত চিন্তার ফলে ঘুম নষ্ট হয় এবং পর্যাপ্ত ঘুম না হলে স্ট্রেস বাড়তে থাকে এবং মানসিক চাপ বাড়তে থাকে অতিরিক্ত স্ট্রেসের কারণে চুল পড়ে যায়।
- ডায়েট ও ঘুম: প্রতিদিন পর্যাপ্ত প্রোটিন আইরন জিঙ্ক বায়োটিন এবং অমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড গ্রহণ করুন। যেমন ডিম মাছ ডাল বাদাম শাকসবজি ও ফল এজাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন এবং পর্যাপ্ত ঘুমানোর চেষ্টা করুন। আপনার দৈনন্দিন জীবনে পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরী এই দুটিকে আপনার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।
- মেডিকেল কনসাল্টেশন: যদি চুল পডর পরিমাণ বেশি হয় তবে ত্বক ও চুলের বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ নেওয়া উচিত। এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী এটি চিকিৎসা করা অত্যন্ত জরুরী কারণ চুল মানুষের সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে।
- রোজমেরি: এই প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে আপনার স্কেল পেয়ে রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। এবং এর মধ্যে এন্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও রোজমেরি চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। রোজ মেরে অয়েলের রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামটরি উপাদান । গবেষণায় দেখা যায় রোজমেরী অয়েল এন্টিজেনেটিক এলোপেসিয়া সারিয়ে তুলতে বেশ ভূমিকা পালন করে ।
- পিপারমেন্ট: ডিপার্টমেন্টে রয়েছে কুলিং ইফেক্ট। এটি আপনার স্কেলের জ্বালা সংক্রমণ কমায়। গবেষণা জানাচ্ছে ডিপার্টমেন্ট স্কেলস এর রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে ফলের চুলের বৃদ্ধির হয় এবং চুল পড়া বন্ধ হয় তাই আপনার পছন্দের অয়েলের সঙ্গে পেপারম্যান্ট অয়েল মিশিয়ে আপনি নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন, সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন সেই বিশেষ তেল ব্যবহার করুন।
- ল্যাভেন্ডার: ল্যাভেন্ডার প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে,স্ক্যাল্পের জ্বালা ভাব বা অস্বস্তি ও কমাতে বেশ ভূমিকা রাখে। চুলের বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে। একাধিক গবেষণায় এটি প্রমাণিত। লাভেন্ডারের নির্যাস থেকে তৈরি এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহার উপকার পাবেন আপনি। আমন্ড অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে আপনি স্ক্যাল্পে সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন মাখলেই পরিবর্তন আপনার চোখে পড়বে।
- স্বাস্থ্যকর খাদ্য অভ্যাস করুন: আপনি যত স্বাস্থ্যকর খাবার খাবেন আপনার চুলের ফলিকল ততই ভালো থাকবে। বিশেষ করে ডাল ডিম মাংস মত প্রোটিনের কোন বিকল্প নেই। পালং শাক বাদাম বেড়ি জাতীয় ফল ও পর্যাপ্ত পানি খাওয়া অত্যন্ত জরুরী। কেননা প্রোটিনের সঙ্গে বায়োটিন জিংক ওমেগা ৩ ফাটি এসিড ও আইরন মাথার পলিকলের স্বাস্থ্য রক্ষায় খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- চুলে হিট দেওয়া বন্ধ করুন: অনেকে চুল স্ট্রেট বা কার্লি করাতে হিট দেন। বাইরে বের হওয়ার আগে হিট থেরাপির মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের স্টাইল করেন। এতে চুলের স্বাভাবিক গঠন ভেঙ্গে যায় নষ্ট হয় চুলের স্বাস্থ্য। আর এতেই চুল ভেঙে যায় এবং চুল পড়তে থাকে। মাথায় রাখতে হবে একান্তই হিট ব্যবহার করলে আগে হিট প্রটেকশন স্প্রে ব্যবহার করে নিন। চুলের পারতপক্ষে গরম পানি ব্যবহার করবেন না। চুলের রং করলে অবশ্যই নিয়মিত কন্ডিশনার এবং প্রোটিন মাস্ক ব্যবহার করুন। সালফেট ফ্রী শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার ব্যবহার করুন।
- হেয়ার সাপ্লিমেন্ট : স্বার্থপর খাবার যেমন চুলের ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায়, বাইরে থেকে পুষ্টি যোগানোর জন্য প্রয়োজন হেয়ার সাপ্লিমেন্ট। বায়োটিন ভিটামিন ডি জিংক আইরন ফলিক এসিডের সমন্বয়ে তৈরি সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার এর ফলে নতুন চুল গজায়। তাছাড়া আপনার চুল থাকবে ঘন আর স্বাস্থ্যজ্জল।
- টেনশন মুক্ত জীবন যাপন করুন: স্ট্রেস বা মানসিক চাপের ফলে মাথার স্কেলের ত্বক শিথিল হয়েছে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়। টেনশন মুক্ত জীবন যাপন করতে হাঁটাহাঁটি করতে পারেন অথবা নিয়মিত সাত থেকে আট ঘন্টা গভীর ঘুমের কোন বিকল্প নেই।
- ঘুমের সময় চুলের যত্ন নিন: সুতি কাপড়ের বালিশে চুল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে সিল্ক বা সাটিনের বালিশ ব্যবহার করতে পারেন। ভেজা চুলে ঘুমাতে যাবেন না ঘুমানোর সময় চুল আঠা করে বাঁধবেন না মনে রাখবেন রাতারাতি চুল বদলে যাবে না ধৈর্য ধরে বিভিন্ন পদ্ধতিতে চুলের যত্ন নিতে হবে আপনার স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যের সঙ্গে চুল গভীরভাবে যুক্ত ।
চুল গজানোর ভিটামিন কি
চুল গজানোর বিভিন্ন ভিটামিন রয়েছে এর মধ্যে হল ভিটামিন বি৭,ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি। বায়োটির নতুন চুল গজাতে এবং চুলের ফলিকল মজবুত করতে সাহায্য করে যেমন ভিটামিন ডি ফলিকল মজবুত করে এবং ভিটামিন ই ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি যোগায়। এখানে উল্লেখিত ভিটামিন গুলোর মধ্যে ভিটামিন বি ৭ বায়োটিন রয়েছে ডিমের কুসুম বাদাম এবং কিছু শাকসবজিতে। ভিটামিন বি রয়েছে সূর্যের আলো তৈলাক্ত মাছ এবং ডিমের কুসুমে। ভিটামিন ই রয়েছে বাদাম এবং কিছু শাকসবজিতে। ভিটামিন এ রয়েছে গাজর মিষ্টি আলু এবং পালং শাকে রঙিন ফল ও সবজিতে। ভিটামিন সি রয়েছে কমলা স্ট্রবেরি এবং পেয়ারার মতো সাইট্রাস ফল ও সবজিতে। এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ভিটামিন ছাড়াও চুল গজানোর জন্য জিংক আইরন এবং প্রোটিনের মত অন্যান্য পুষ্টি উপাদানও গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন বাদাম মাছ এবং বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি এই পুষ্টিগুলো সরবরাহ করতে পারে।
আরো পড়ুন : পেটে গ্যাসের ব্যথা কমানোর ঘরোয়া উপায়
মন্তব্য
আজকাল প্রায় দেখা যায় অনেকেই চুল পড়ে যাওয়া এবং দুর্বল হয়ে যাওয়া এরকম নানারকম সমস্যায় ডুবে থাকেন আর তাদের জন্যই রয়েছে পেঁয়াজের রস মেথি পেস্ট অ্যালোভেরা মধু ডিম অলিভ অয়েল যা আপনার চুল পড়া কমাতে সাহায্য করবে এবং আজকের এই পোস্টটি পড়ে আপনি আপনার চুল পড়া বন্ধ করতে পারেন। এবং এই পোস্টটির মাধ্যম দিয়ে আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। এবং উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে নিয়ে আপনার চুল পড়া বন্ধ এবং চুল গজানোর জন্য উপকারে আসবে বলে আশা করছি।

.webp)
অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url